দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর খুনিয়াপালং থেকে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কেচুনিয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে কাদা ও পানি জমে চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির সময় মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও দেখা দেয় ভোগান্তি।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু ছৈয়দ, ওবাইদুল হক ও শামসুল আলম বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরিষ্কার পোশাক পরে বের হলেও কিছু দূর যেতে না যেতেই জুতা হাতে নিয়ে কাদার মধ্যে হাঁটতে হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা।
খুনিয়াপালং একতা ও সমাজকল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সোহেল বলেন, প্রতি বছর বর্ষা এলেই উত্তর খুনিয়াপালং থেকে কেচুনিয়া পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কাদা, পানি ও বড় বড় গর্তের কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়লেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
তিনি জানান, কয়েকদিন আগে সংগঠনের উদ্যোগে বালির বস্তা ফেলে পথচারীদের চলাচলের কিছুটা ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে এলে সড়কটি আরও ভালোভাবে চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হতো।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যায় না। দীর্ঘদিনের অবহেলায় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য সদস্য প্রার্থী বেলাল উদ্দীন বলেন, সামান্য ভারী বর্ষণেই সড়কটির বেহাল চিত্র ফুটে ওঠে। জনগণের সমর্থনে নির্বাচিত হলে সড়কটিতে ব্রিক সলিং করে চলাচলের উপযোগী করা তার অগ্রাধিকার থাকবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক কোম্পানি বলেন, বিষয়টি আগে তার জানা ছিল না। ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত আবেদন করা হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
যে আই